আবুল কালাম, মাগুরা: মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার লাঙ্গলবাঁধ বাজারে সরকারি খাস জমিতে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম।
তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই, জমির মালিকানা নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ছাড়া এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন নয়।প্রকাশিত প্রতিবেদনে গয়েশপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পশ্চিম পাশে সরকারি খাস জমিতে স্থাপনা নির্মাণ এবং এ ঘটনায় অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও খুলনা বিভাগীয় কমিশনারকে অবহিত করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগের পক্ষে কী তথ্য-প্রমাণ রয়েছে,জমিটির সরকারি রেকর্ড কী বলছে এবং স্থাপনা নির্মাণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবস্থান কী,তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কিংবা কোনো ব্যক্তির অপরাধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না।
সরকারি খাস জমি দখলের অভিযোগ সত্য হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। একই সঙ্গে জমির প্রকৃত মালিকানা ও সীমানা যাচাই না করে কাউকে দখলদার হিসেবে চিহ্নিত করাও অনুচিত।
তাসমীয়া আক্তার রোজী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্রীপুর উপজেলা বলেন,অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি সরকারি বিধি মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বক্তব্য নিয়ে সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযোগের অসংগতি থাকলে তা-ও স্পষ্ট করা জরুরি।
জনস্বার্থে প্রশ্ন উঠতেই পারে,তবে সেই প্রশ্নের উত্তর হতে হবে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে। সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ তদন্তই হতে পারে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য পথ।







